টিডিএন বাংলা ডেস্ক : অর্থের অপব্যবহার নিয়ে ফৌজদারি মামলা চলছে ইসলামিক রিসার্চ
ফাউন্ডেশনের কৰ্ণধার ডা. জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া তার বিরদ্ধে ধৰ্মীয় উসকানি ও সম্প্ৰীতি বিনষ্ট করার আরও অভিযোগ আনা
হয়েছে। জাকির নায়েক বিদেশে রয়েছেন। দেশে ফিরলে গ্রেফতার করা হবে তাকে সেই কারণে আদালতে সশরীরে হাজিরা দিতে অস্বীকার
করেছেন তিনি। অবশেষে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ জাকির নায়েকের পাসপোর্ট বাতিল করার তোড়জোড় শুরু করেছে। পাসপোর্ট বাতিল হলে তিনি ওই পাসপোর্ট নিয়ে আর বিদেশে অবস্থান করতে পারবেন না। এনআইএ সুত্ৰ মারফত জানা যায়, জাকির নায়েকের নামে প্ৰথম পাসপোর্ট ইস্যু হয় মুম্বই থেকে ২০১১ সালে। তারপর ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে সেটি রিনিউ হয়। বৰ্তমান পাসপোর্টর বৈধতা ১০ বছরের জন্য। এখন স্বরাষ্টমন্ত্ৰকের নিৰ্দেশ জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করেছে এনআইএ। আইপিসি ছাড়াও বেআইনি কাৰ্যকলাপ প্ৰতিরোধ আইন, ১৯৬৭ অনুযায়ী জাকির ও তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এনআইএ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছে, জাকির নায়েক ২০১২ সাল থেকে এনআরআই মৰ্যাদা পেয়েছেন এবং ২০১৬ সালের ১৩ মে বিদেশে পাড়ি দেন। তারপর থেকেই আর দেশে ফেরেননি তিনি। তার বিদেশ যাওয়ার পর পরই শুরু হয় আইআরএফ নিয়ে তদন্ত। মুম্বইয়ের এনআইএ বিশেষ আদালত জাকিরের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে ২০১৬ সালের নভেম্বরে। ফলে দেশে ফিরলেই
জাকির নায়েকের গ্রেফতার অবশ্যম্ভাবী।
এনআইএ-র ডাইরেক্টর জেনারেল শারদ কুমার জানিয়েছেন, জাকির নায়েক তদন্তে
সহযোগিতা করছেন না। আমরা একাধিকবার নোটিশ পাঠিয়েছি তদন্তের জন্য।
উল্লেখ্য, দেড় হাজারেরও বেশি বড় জনসভায় বক্তৃতা দিয়েছেন তিনি। শুধু দেশে নয়, বিদেশেও বহু স্থানে ভাষণ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রিত হয়েছেন। কংগ্ৰেস আমলে জাকির নায়েকের বক্তৃতা নিয়ে কোনও প্ৰশ্ন ওঠেনি।
সুত্র - টিডিএন বাংলা

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন