বিজেপি কংগ্রেসের শক্ত-ঘাঁটি উত্তরপূর্ব ভারতে ক্ষমতায় আসার জন্য এমনি এক স্ববিরোধি পদক্ষেপের ঘোষণা দেয়।
এর আগে কেরালার মাল্লারুরম কেন্দ্রে বিজেপির নির্বাচনি প্রার্থি এন শ্রীপ্রকাশ ও এমনি প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন ভোটে জিতলে তিনি নির্বাচনি কেন্দ্রে ভালো মানের গোমাংস সরবরাহ করবেন।
বেশ কিছুদিন আগে গরুর মাংস নিয়ে ভিন্ন রাজ্যে ভিন্ন নিতীর এই জঘন্য রাজনিতীর ঘোর সমালোচনা করেন মিম সুপ্রিমো আসাদুদ্দিন ওয়াইসি। তিনি ঠাট্টার ছলে বলেন, বিজেপির কাছে ইউপিতে গরু হলো ‘মাম্মি’ এবং নর্থ-ইস্টে ‘ইওম্মি’।
উত্তরপ্রদেশে দাদরিতে আখলাক হত্যার ক্ষত আজো দগদগে। হরিয়ানার দুধ বিক্রেতা পেহলুখানকে প্রাণে মারা হলো। ঝাড়খন্ডে গোরক্ষাবাহিনীর হাতে সাতজন মুসলিমের প্রাণ গেল। মধ্যপ্রদেশে রেল স্টেশনে, ট্রেনে আক্রমণ হলো। কর্ণাটকে এক দলিত পরিবারে আক্রমণ করে বজরং দল গরুর মাংস আছে বাড়িতে অভিযোগে। গুজরাটে ৩৫ জনের এক গোরক্ষা বাহিনী ৭ জন দলিতকে ভিষণ মারধোর করে মৃত গরুর ছাল ছাড়ানোর অপরাধে।
বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে গোরক্ষার নামে এতো নাটকবাজি কেনো কেনই বা এতো রক্তপাত ? কেনো বিজেপি গরুর মাংস নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন কৌশল আঁটছে ? কেনইবা গোরক্ষার অজুহাতে দলিত ও মুসলিমদেরকে বারবার বলির বখরা করা হচ্ছে ? গরু হত্যা যদি ধর্মিয় আবেগে আঘাতের কারণ হয় তাহলে বিজেপি কেনো মেঘালয়ের মতো রাজ্যে গরুর মাংস খাওয়ার বৈধতা দিতে চায় ?
এর আগে গোরক্ষাবাহিনীর অন্যতম সমর্থক বিজেপি নেতা সঙ্গীত সোমের গরুর মাংস রপ্তানির নিজস্ব কোম্পানী আছে (Al-Dua food processing pvt. Ltd.) তা দি হিন্দু পত্রিকা জন সমক্ষে আনে। এছাড়াও গুজরাটে বিজেপির অফিসিয়াল গাড়ি থেকে গোমাংস উদ্ধার করে পুলিশ। যাতে বিজেপি নেতা বিপিন বিলাওহা এর নাম জড়ায়।
এসব ঘটনার পরিপ্রক্ষিতে বিজেপির গোভক্তি কতটা আন্তরিক আর কতটাইবা ভোটবৈতরণি পার হওয়ার এক ফন্দি তা নিয়ে প্রশ্ন চিন্হ রয়েই গেলো।
সুত্র - TDN বাংলা

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন