Profile

শনিবার, ৩ জুন, ২০১৭

শিনজিয়াংয়ে রমযান পালনে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চিনা প্ৰশাসনের

চিনের উইঘুর অধ্যুষিত মুসলিম প্ৰদেশ শিনজিয়াংয়ে নানা অসিলায় রমযান পালনেববাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা অবশ্য নতুন কিছু নয় শিনজিংয়ায়ে। এর আগে সেখানকার বাসিন্দাদের নানা বিধিনিষেধের বেড়ি
পরানো হয়েছে। মুসলিম সম্প্ৰদায়কে টার্গেট করা হয়েছে সন্ত্রাসবাদ দমনের নামে। দাড়ি – বোরকায় মানা থেকে শুরু করে গণহারে ডিএনএ নমুনা সংগ্ৰহ কোনও পথই আর বাকি রাখছে না চিনা প্ৰশাসন। ওয়া উইঘুর কংগ্রেসের (ডব্লিউইউসি) অভিযোগ, স্থানীয় প্ৰশাসন সব রেস্তরা খোলা রাখার নিৰ্দেশ দিয়েছে। এমন আরও কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা থেকে স্পষ্ট, রমযান পালন নিয়ে যাতে সবাই সমস্যায় পড়েন সেটাই হল মূল লক্ষ্য।
ওই প্ৰদেশের সংশ্লিষ্ট দফতরের তরফে জানানো
হয়েছে, স্থায়িত্ব যাতে বিনষ্ট না হয় তাই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নেতৃত্ব যাতে আরও শক্তিশালী হয় এবং রমযানে নজরদারিতে কোনও খামতি না থাকে সেসবও দেখা হচ্ছে। হোতান কাউন্টিতে আবার নিৰ্দেশিকা জারি করে বলা হয়েছে, সমস্ত ছাত্ৰছাত্রীদের অবশ্যই শুক্ৰবার বিশেষ ক্লাস করতে হবে। তাদেরকে কমিউনিস্ট মতাদৰ্শী সিনেমা এবং খেলাধুলাতেও অংশ নিতে বলা হয়েছে। নিৰ্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, গ্ৰীষ্মের ছুটিতে পড়ুয়ারা যাতে তাদের সামাজিক জীবন
নিয়ে সমৃদ্ধ হতে পারে সে জন্যই এই সিদ্ধান্ত। প্ৰশ্ন উঠেছে, স্কুলে যখন ছুটি পড়ে গিয়েছে তখন শুক্রবার করে ক্লাসে আসতে বলা কেনই বা রোযা চলাকালীন খেলার মাঠে যেতে বলা হচ্ছে। শহরে এক সরকারি কর্তা জানান, ক্ষেত্রে রোযা নিযেধাজ্ঞা রয়েছে। যদি কেউ নিয়ম ভাঙেন তবে
অবশ্যই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হবে। তবে শিনজিয়াং ছাড়া চিনের অন্য কোথাও এই ধরনের কোনও নিৰ্দেশ জারি করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, রমযানে নিষেধাজ্ঞা এর
আগেও হয়েছে। তবে এই বছর কড়াকড়ি অনেক বেশি। মুসলিম কৰ্মীদের ওপর যেভাবে নজরদারি করা হয়েছে তা আগে কখনও হয়নি। প্ৰসঙ্গত, গত মার্চেই শিনজিয়াংয়ে বোরকা এবং ‘অস্বাভাবিক দাড়ি’ নিষিদ্ধ করা হয়। তার মাস খানেক পরে শিশুর ইসলামি নাম রাখা নিয়ে আরোপ করা হয় নিয়ন্ত্ৰণ।

সুত্র - TDNবাংলা

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন