Profile

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৭

চট্টগ্রামে হিন্দু থেকে মুসলিম হওয়ায় তরুনীকে উগ্র হিন্দুদের হুমকি


হাটহাজারী সদরেই আয়েশা সিদ্দিকাকে ধর্মান্তরিত করতে বাধ্য করা হচ্ছে এবং আশ্রয়দাতা পরিবারটিকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠছে কতিপয় হিন্দু ধর্মালম্বীর বিরুদ্ধে!!
চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী পৌরসভার পশ্চিম দেওয়ান নগরস্থ বাড়ি পাড়া নিবাসী সনাতন ধর্মালম্বী দীপক চৌধুরীর কন্যা গত ১০জুন ২০১৭ তারিখে পবিত্র ধর্ম ইসলামের মূলবাণীর প্রতি আকৃষ্ট হইয়া এবং ইসলামী শরীয়তের উপর সর্ম্পূণ বিশ্বাস স্থাপন করে কালিমা উচ্চারণ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। পুর্বের নাম রিয়া চৌধুরী ত্যাগ করে মুছাম্মৎ আয়েশা ছিদ্দিকা ধারণ করে।ইসলাম ধর্ম গ্রগণ করার পর হতে তার উপর পরিবারের সদস্যরা নানা ধরনের নির্যাতন ও হয়রানি শুরু করে। পরিবারের নির্যাতন ও জুলুম হতে মুক্তি পেতে সে তার পিতা-মাতার পরিবার সেচ্ছায় ত্যাগ করে। মেয়েটির এ করুন পরিনতি দেখে একই গ্রামের পার্শ্ববর্তী মিয়াজী পাড়া নিবাসী জৈনক চান মিয়ার পরিবার নওমুসলিম ও নারী হওয়ার কারণে মেয়েটির নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় মানবিক কারণে আশ্রয় দেয় আয়েশা ছিদ্দিকাকে। পরবর্তীতে মেয়েটির ইচ্ছা ও সম্মতিতে চান মিয়ার পুত্র মোঃ নাজিম উদ্দীন মুসলিম শরীয়া মোতাবেক বিবাহ করে দাম্পত্য জীবন যাপন করছে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়।
কিন্তু মেয়েটির পিতা দ্বীপক চৌধুরী ও কতিপয় উগ্র হিন্দুধর্মালম্বী বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। নওমুসলিম মেয়েটির “আশ্রয়দাতা” দরিদ্র মুসলিম পরিবারটিকে হয়রানী করতে হিন্দু সম্প্রদায়ের কতিপয় উশৃঙ্খল লোকের প্ররোচনায় হাটহাজারী থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করে সর্ম্পূণ অন্যায় ভাবে।মামলায় বৃদ্ধ চান মিয়া ও তার অসুস্থ স্ত্রীকে হাটহাজারী থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে ১০দিন যাবৎ দীপক ও তার সাঙ্গো-পাঙ্গোদের প্ররোচনায় প্রলব্দু হয়ে হাজতবাস করে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। আথচ আইন অনুযায়ী অভিযুক্তকে গ্রেপ্ততারের ২৪ঘন্টার মধ্যে আদালতে সোর্পদ করার নিয়ম রয়েছে। ১০দিন হযতবাসের পর স্থানীয় মুসলমাদের মাঝে উত্তেজনার আবাস পেলে থানা পুলিশ তরিগড়ি করে আদালতে সোর্পদ করিলে জামিনে মুক্তি লাভ করে।
অথচ মেয়েটিকে চান মিয়ার পরিবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করা হয়নি বরং মেয়েটিকে আশ্রয় দেয়ার অপরাধে বৃদ্ধ চান মিয়া ও অসুস্থ তার স্ত্রীকে দরিদ্রতার সুযোগ নিয়ে অন্যায়ভাবে হিন্দু উগ্রপন্থী দীপক রাজনৈতিক প্রভাব কাটিয়ে হয়রানি, নির্যাতনসহ হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই হাটহাজারী সদরকে সম্প্রদায়িক আস্থার সংকট তৈরী করে দীপকসহ কপিয় উগ্রপন্থী হিন্দু লোকদের উস্কানিমূলক আচরণ যে কোন সময় সংঘাতে পরিনত হতে পারে বলে আশংকা করছে স্থানীয় জনসাধারণ। আগমেয়েটির পিতা দীপক এবং উগ্র হিন্দুগণ বিষয়টিকে সাম্প্রদায়িক রঙ্গে রাঙ্গিয়ে সরকারদলীয় রাজনৈতিক আর্শিবাদ নিয়ে প্রশাসন, আদালতসহ সব জায়গাতে প্রভাব বিস্তার করে মুসলিম পরিবারটি চরমভাবে হয়রানি করে পথে বসিয়েছে।েআগ নানা রকম সিটিউশন ক্রিয়েট করে মুসলিম মেয়েটিকেও ধর্মান্তরিত করার চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। দীপক ও তার সহযোগিরা মিথ্যা মামলা ও হুমকি ধমকি দিয়ে অসহায় মুসলিম পরিবারটিকে নিঃস্ব করে চরম প্রতিশোধ নিতে প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে যার পরিনিতে যে কোন সময় স্থানীয় মুসলিমদের মাঝে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করা হচ্ছে। একটি বৈধ বিবাহ নিয়ে সম্প্রদায়িক বিরোধ সৃষ্টি করা কাহরো কাম্য হতে পারে না। বিশেষ সুত্রে জানা গেছে আগামী ২৭-২৮জুলাই বৃহস্পতি ও শুক্রবার “চান মিয়ার মেয়ের বিয়ের তারিখ ঠিক করা হয়েছে উক্ত বিয়েতে দীপক ও সঙ্গীয়রা হামলা করার হুমকি দিচ্ছে।
ইতোমধ্যে স্থানিয় মুসলিম জনগোষ্টি নির্যাতিত পরিবারকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিরোধ মিমাংসায় প্রশাসন সঠিক ও দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে যে কোন অনাকাঙিখত ঘটনা ঘটতে পারে বলে বিজ্ঞ মহল মনে করছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন