দোহা: কাতারের রাজধানী দোহার শপিং মলে শুক্রবার থেকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের বিশাল ছবি শোভা পাচ্ছে। ছবির চারপাশে রয়েছে হাজারো দর্শনার্থীদের সাক্ষর।
ছবিতে সাক্ষর করা দর্শনার্থীদের একজন সেলিম হামাস জানান, উপসাগরীয় সমস্যা সমাধানে তুরস্কের জনগণ ও এরদোগানের প্রচেষ্টার জন্য তাকে (এরদোগান) ধন্যবাদ জানিয়ে বিশাল এই ছবি শপিং মলে টাঙানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এই ছবি তুরস্ক, তুরস্কের জনগণ এবং প্রেসিডেন্টের জন্য আমাদের প্রতীকী প্রশংসা।’
মারিয়াম নামে আরেকজন কাতারি বলেন, ‘তুরস্ক ও কাতার এক দৃঢ় ভাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। আমরা এরদোগানকে অনেক বেশি ভালবাসি।’
সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দেয়ার অভিযোগে গত ৫ জুন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর ও বাহরাইন কাতারের সঙ্গে তাদের
কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং দেশটির সঙ্গে স্থল, জল ও আকাশ পথের সংযোগ বিছিন্ন করে।
তবে, কাতার দৃঢ়ভাবে তাদের এই অভিযোগ অস্বীকার করে এবং দাবি করেন যে, এই বিচ্ছিন্নকরণ প্রচেষ্টা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
প্রায় দুই মাসের এই সঙ্কটের শুরু থেকেই তুরস্ক বিবদমান গ্রুপগুলোকে কূটনৈতিক উপায়ে বিষয়টি সমাধানের জন্য আহ্বান জানিয়ে আসছেন এবং অভিমত দেন যে, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কোনো পক্ষের জন্যই সুফল বয়ে আনবে না।
পরবর্তীতে সৌদি ব্লক সমস্যা সমাধানের জন্য ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করেন। এরমধ্য রয়েছে কাতারের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশন চ্যানেল ‘আল জাজিরা’ বন্ধ করে দেয়া, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক সীমাবদ্ধ করা এবং কাতারে অবস্থিত তুর্কি সামরিক ঘাঁটি থেকে সৈন্যদের বহিষ্কার করা।
এই ১৩ দফা দাবি পূরণের জন্য কাতারকে ১০ দিনের সময় বেধে দেয়া হয়। কিন্তু কাতার তাদের এই দাবি পূরণে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে তারা চরমপন্থী ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য কাতারকে ছয়টি নীতিমালা বেধে দেন।
সূত্র: ডেইলি সাবাহ



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন