পেন্টাগনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানে ভবিষ্যতে চীনের ঘাঁটি নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। আফ্রিকার জিবুতিতে ঘাঁটি স্থাপনের পর চীন বিদেশে আরো ঘাঁটি নির্মাণ করবে বলে এতে পূর্বাভাষ দেয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে বারবার জিবুতিতে চীনা ঘাঁটির কথা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এটিই বিদেশে চীনের প্রথম নৌঘাঁটি। এ অঞ্চলে মার্কিন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি রয়েছে। ঘাঁটিটি লোহিত সাগরে দক্ষিণ দিক থেকে ঢোকার কৌশলগত পথের কাছে অবস্থিত। সুয়েজ খালে এ পথেই যেতে হয়।
ভারত মহাসাগরের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে জিবুতি অবস্থিত। এটি চীনের ‘মুক্তা মালার’ অংশ হয়ে উঠতে পারে মনে করে উদ্বেগে রয়েছে ভারত। সামরিক মিত্রতা এবং সম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে ভারতকে ঘিরে ফেলার অংশ এটি হয়ে উঠতে পারে। মিয়ানমার, শ্রীলংকা এবং বাংলাদেশ চীনের এ ‘মুক্তা মালার’ অংশ বলে ধারণা করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের মতো দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্বার্থ রয়েছে যে সব দেশের সঙ্গে চীন সেখানে হয়ত বাড়তি ঘাঁটি নির্মাণ করতে চাইবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন