বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত বলেন, ঈদ আনন্দকে ভাগাভাগি করে নেয়ার মধ্যেই পূর্ণতা আসে। এখানে বৈষম্য কোন ভাবেই কাম্য নয়। সুবিধা বঞ্চিতদের পাশ কাটিয়ে ঈদ আনন্দ পূর্ণতা পাবে না।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ছাত্রশিবির আয়োজিত সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক হাসনাইন আহমেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সভাপতি জামিল মাহমুদ।
শিবির সভাপতি বলেন, খুশির বার্তা নিয়ে ঈদ সমাগত। ঈদ আনন্দ পরিপূর্ণ করতে যার যার সাধ্য মত চেষ্টা চলছে। কিন্তু দেশের জনসংখ্যার বিশাল অংশ সুবিধা বঞ্চিত। যাদেরকে বরাবরই পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। সরকার বা বিত্তবান কেউই তেমন দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে না। কিন্তু ঈদ সবার জন্য ও সার্বজনীন উৎসব। এ আনন্দে দরিদ্র মানুষগুলোকে অসহায় দর্শক বানানো নিত্যান্তই অমানবিকতা। মাহে রমযান আমাদের ত্যাগ-কুরবানীর প্রশিক্ষণ দেয়। সেই প্রশিক্ষনের উত্তম প্রতিফলন হবে যদি সমাজের সবাই যার যার পাশের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের সাথে ঈদ আনন্দকে ভাগাভাগি করে নিতে পারি। ইসলামের সামাজিক শিক্ষাও এটাই।
তিনি বলেন, মাহে রমযানকে সমাজ বিনির্মাণের হাতিয়ারে পরিণত করতে হবে। রোজাদারদের সম্মিলিত সহযোগিতা ও সহমর্মিতা সমাজের চিত্র পাল্টে দিতে সক্ষম। ইসলামে যাকাত ও ফিতরার বিধানের মধ্য দিয়ে সমাজের বিত্তবানদের সম্পদের মাঝে অসহায় দরিদ্রদের হক নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এর ফলে সমাজের দারিদ্র্যের নিষ্ঠুর কষাঘাতে নিপতিত অনেক অনাহারী মানুষ ক্ষুধা-তৃষ্ণার অসহনীয় দুর্ভোগ থেকেও মুক্তি পেতে পারে। ছাত্রশিবির প্রতিবছরই ঈদে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতিতে অসহায়, ছিন্নমূল ও দরিদ্র মানুষকে সম্পৃক্ত রাখতে আমরা সরকার ও বিত্তবানদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। একই সাথে সাধ্য অনুযায়ী ঈদ আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর জন্য আমরা নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন