Profile

শনিবার, ৩ জুন, ২০১৭

রমজানের প্রথম জুমায় আল আকসায় প্রায় ১লক্ষ ফিলিস্তিনিদের ঢল


রমজান মাসের প্রথম জুমার নামাজ আদায় করার জন্য ইসরাইল দখলকৃত জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে হাজির হয়েছিলেন হাজার হাজার ফিলিস্তিনি মুসল্লি। আল আকসা মসজিদকে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে তৃতীয় পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

শুক্রবার ভোরের আগে থেকেই অনেক ফিলিস্তিনি ইসরাইলি চেকপয়েন্টগুলোতে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে যান। জেরুজালেমের পুরনো শহরে নিরাপত্তার খাতিরে বিপুল পরিমাণ পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। কেন না আল আকসা মসজিদ কমপ্লেক্সটি ইহুদী ধর্মাবলম্বীদের কাছেও পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত।

পুলিশের একজন মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, শুক্রবার আল আকসা মসজিদ সংলগ্ন এলাকা এবং তার আশেপাশে ১ লাখের বেশি মুসল্লি জুমার নামাজে অংশগ্রহণ করেন।

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ফিলিস্তিনিরা যাতে পশ্চিম তীর থেকে সহজেই ইসরাইল অধিকৃত জেরুজালেমে সহজে যাতায়াত করতে পারেন সেজন্য ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ নিয়মকানুন বেশ শিথিল করে দিয়েছে। বিশেষ করে জুমার নামাজ আদায় করার সুবিধার্থে এটি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করার জন্য সব বয়সি নারী এবং চল্লিশোর্ধ ফিলিস্তিনি পুরুষদের কোন এন্ট্রি পারমিট লাগে না।

পুলিশ জানায়, হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা থেকে আল আকসায় শুক্রবারের নামাজ পড়ার জন্য ৫৫ বছরের বেশী বয়সি ১০০ জন ফিলিস্তিনি নারী এবং পুরুষকে অনুমতি দিয়েছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।

উত্তর জেরুজালেমের কালান্দিয়া চেকপয়েন্টে ৬১ বছর বয়সি আবদেল জাওয়াদ নাজের, আল আকসা মসজিদে প্রবেশের জন্য দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি পশ্চিম তীরের নাবলুস থেকে এসেছেন। বৃদ্ধ এই ফিলিস্তিনি জানান, সব প্রতিবন্ধকতা এবং বিধি নিষেধ সত্ত্বেও আল আকসায় নামাজ আদায় করা ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা।

৫০ বছর আগে ৬ দিনের আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের কাছ থেকে পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। যদিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই এলাকাটিকে ইসরাইলিদের বলে এখনো পর্যন্ত কোন স্বীকৃতি দেয়নি। কিন্তু তারা দাবি করে এটি তাদের রাজধানী। অপরদিকে ফিলিস্তিনিরাও তাদের ভবিষ্যত রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে পূর্ব জেরুজালেমকেই নির্বাচিত করেছে

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন