দোহা: কাতারের সঙ্গে সৌদি আরবসহ প্রতিবেশি দেশগুলো কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের কারণে দেশটির বাজার এখন তুর্কি ও ইরানি পণ্যের রমরমা অবস্থা।
গত ৫ জুন সৌদি আরব, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদের ঘোষণা দেয়। তাদের অভিযোগ কাতার সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে মদদ দিচ্ছে।
কাতার মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ধনী রাষ্ট্র হলেও দেশটির নিজেদের জন্য কানো খাদ্য উৎপাদন করে না। খাদ্য পণ্যের অধিকাংশই সৌদি আরব থেকে আমদানি করত।
সৌদি আরব ইতোমধ্য তার আকাশ ও সমুদ্র পথের পাশাপাশি কাতারের সঙ্গে থাকা একমাত্র স্থল সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। এতে করে তীব্র খাবার ও পানীয়র সংকটে পড়ে দেশটি।
দেশটির এমন সঙ্কটে সাহায্যে এগিয়ে এসেছে তুরস্ক ও ইরান। ইরান আকাশ পথে খাদ্য ও পানীয় সরবরাহের ঘোষণা দিয়েছে।
আরব উপসাগরীয় অঞ্চলে এই নজিরবিহীন সংকট শুরু হলে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেফ এরদোগান কাতারকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘আমরা আমাদের ভাইদের পরিত্যাগ করব না।’
এরপর থেকে কার্গো বিমান ও জাহাজে করে খাবার ও পানীয় পাঠাচ্ছে আঙ্কারা। কাতারের বাজার এখন তুর্কি পণ্যে সয়লাব।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাতারি চেইন মার্কেটের ফেসবুক পেজগুলোতে তুর্কি পণ্যের বিজ্ঞাপন দেয়া হচ্ছে। সেখানে বলা হচ্ছে- দুধ, দই, মুরগির মাংস ‘ফ্রম তার্কি বাই এয়ার’ (তুরস্ক হতে আকাশপথে)।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন