সংশ্লিষ্ট সূত্রের দেয়া তথ্য মতে, রবিবার ঢাকায় দ্বিপক্ষীয় ওই বৈঠকটি হওয়ার প্রস্তুতি ছিল। এ বৈঠকে নেতৃত্ব দিতেই তুরস্কের আন্ডার সেক্রেটারির ঢাকায় আসার কথা ছিল। কিন্তু শনিবার হঠাৎ আঙ্কারার তরফে বৈঠকটি স্থগিত করা হয়।
এফওসি স্থগিতের বিষয়টি রাতে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, আন্ডার সেক্রেটারির অন্য একটি জরুরি কর্মসূচি পড়ে যাওয়ায় তার ঢাকা সফর বাতিল করতে হয়েছে। তবে শেষ মুহুর্তে এসে কেন এমনটি হলো? তার বিস্তারিত পরে জানা যাবে বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব।
প্রসঙ্গত, গত কয়েকটি বছর বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্ক নানামুখী টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রদূত ডেকে নিয়ে যাওয়া এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় ডেকে নিয়ে আসার মতোও ঘটনা ঘটেছে এরই মধ্যে। তব বর্তমানে পরিস্থিতি ‘স্বাভাবিক’ বলেই মনে করছে দুই পক্ষ। আর এ কারণেই ঢাকায় পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছিল দুই দেশ। ওই বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্র সচিব মো, শহীদুল হকের।
বৈঠকে অংশ নিতে এরই মধ্যে ঢাকায় এসেছেন আঙ্কারায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আল্লামা সিদ্দিকী। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন- ৬ বছর পর বৈঠকটি হতে হচ্ছে। সঙ্গত কারণেই সেখানে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রায় সব বিষয় নিয়েই বিস্তৃত আলোচনা হবে।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় ওই বৈঠক কাম ইফতার আয়োজনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রদূত।
এদিকে ঢাকাস্থ তুরস্ক দূতাবাসও জানিয়েছিলেন রবিবার সকালে ঢাকায় দেশটির নতুন চ্যান্সেরি কমপ্লেক্স উদ্বোধন করা হবে। আন্ডার সেক্রেটারি এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। কিন্তু বৈঠক স্থগিত এবং আন্ডার সেক্রেটারির সফর বাতিলের পর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে কি-না সে সম্পর্কে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দূতাবাস কিছুই জানায়নি। ফলে এ ব্যাপারে রহস্য অন্ধকারে থেকেই যাচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন