বুধবার রাতে ফতুল্লার ইসদাইর বাজার রেললাইন এলাকা হতে ফতুল্লা থানা পুলিশের একটি টিম হাসানকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত হাসান ইসদাইর বাজার এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে জামাত শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ জানান।
এদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, হাসান ইসদাইর বাজারে একটি চা সিগারেটের দোকান রয়েছে। এসব বিক্রি করে সংসার চালায়। হাসান কোন শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নয়। তবে ইসদাইর এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভাগিনা জুবায়ের হাসানের চায়ের দোকানে গিয়ে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ওয়াজ মাহফিলের ক্যাসেট ছাড়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। জুবায়ের হাসানকে যেভাবে চাপ সৃষ্টি করেছে তাতে মনে হয়েছে জুবায়ের শিবিরের সক্রিয় কর্মী। জুবায়ের হোসেন ফতুল্লা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মিছির আলী ও আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল আউয়ালের ভাগিনা। তাদের প্রভাব খাটিয়ে অনেকটাই অপরাধ করে চলছে। যেমনটা করেছিল চায়ের দোকানদার হাসানের সাথে। জুবায়েরের কারনে হাসান কারাগারে। কিন্তু ধরাছোয়ার বাইরে রয়ে গেছে সেই জুবায়ের। এছাড়া জুবায়েরের মামারা আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও সে কিন্তু অন্য দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃৃক্ত। সে যদি আওয়ামীলীগ করতো তাহলে হাসানকে কেন দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ওয়াজ ছাড়ার জন্য কেন চাপ দিয়েছে। জুবায়েরের এমন আচরণে ইসদাইর এলাকায় গুঞ্জন চলছে।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান-২ হাসানকে গ্রেপ্তারের বিষয় নিশ্চিত করে জানান, হাসানের বিরুদ্ধে শিবিরের রাজনীতির সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে জুবায়ের নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে শিবিরের সাথে সম্পৃক্ততা থাকার কথা শুনেছি। ঘটনার তদন্ত করে জড়িত থাকলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। আর হাসান যদি শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা থাকার প্রমান না পাওয়া যায় তদন্তের পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন