কাতারের তদন্তকারীরা বলেছেন, আরব প্রতিবেশীদের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক বিরোধের পেছনে যে সাইবার হামলার ভূমিকা আছে তার প্রস্তুতি নেওয়া হয় এপ্রিলে। এর মাধ্যমে কাতারের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাকে দিয়ে গত মাসে একটি মিথ্যা বিস্ফোরক খবর পরিবেশন করানো হয়। বুধবার রাতে প্রকাশিত এ প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে গোয়েন্দারা সাইবার হামলার জন্য দায়ী কারও নাম প্রকাশ করেননি।
কাতারের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থায় আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানিকে উদ্ধৃত করে ইসরায়েল, ইরান, ফিলিস্তিনি কট্টরপন্থী সংগঠন হামাস সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়। কাতারের ওপর আরোপিত কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার অন্যতম কারণ হিসেবে সোমবার সৌদি আরব ও অন্য প্রতিবেশীরা দেশটির আমিরের বক্তব্য হিসেবে প্রচারিত ওই মন্তব্যের কথা উল্লেখ করেছে।
কাতারের তদন্তকারীদের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়, কাতার নিউজ এজেন্সির ওয়েবসাইটের একটি ইলেকট্রনিক গ্যাপকে কাজে লাগিয়ে একটি উদ্ভাবনী কারিগরি কৌশলে ওই হ্যাক করা হয়।
সিএনএন গত মঙ্গলবার জানায়, রাশিয়ার হ্যাকাররা কাতারি বার্তা সংস্থার ওয়েবসাইটে ওই ভুয়া খবর ঢোকানোর কাজ করেছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ধারণা। রাশিয়া এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন