পূর্ব জেরুজালেম: কাতারকে ফিলিস্তিনের ইসলামি আন্দোলনের প্রতি সাহায্য বন্ধ করে দিতে বলায় বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে গাজার হামাস সরকার। সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের শর্ত হিসেবে কাতারকে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস, মুসলিম ব্রাদারহুডসহ অন্যান্য চরমপন্থী গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন দেয়া বন্ধ করে দিতে বলেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবাইর। এ প্রেক্ষিতে হামাস ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
কাতার হামাসকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, মূলত তারা ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। অন্যান্য গোষ্ঠীর প্রতি সহায়তার অভিযোগও তারা অস্বীকার করে। খবর দ্য নিউ আরব আরজির।
ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনে হামাসকে কখনোই সমর্থন করেনি রিয়াদ সরকার। তাদের মতে হামাস একটি চরমপন্থী দল। মে মাসের শেষের দিকে রিয়াদ সফরে এসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প একটি সফরে ইসরাইল প্রতিপক্ষ হামাসকে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে নিন্দা জানান এবং রিয়াদ এ ব্যাপারে আপত্তি জানায়নি।
হামাসকে কাতারের সমর্থন বন্ধে সৌদি আরবের এমন আহ্বানে ‘মর্মাহত’ হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা শাসন করা এই প্রতিরোধ আন্দোলন।
বুধবারের এই বিবৃতিতে হামাস বলেছে, জুবাইরের মন্তব্যে ফিলিস্তিনি জনগণ, আরব বিশ্ব এবং ইসলামি জাতিসমূহ মর্মাহত হয়েছে। তার এই বিবৃতি ব্যবহার করে ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের অধিকার আরো হরণ করবে।
উল্লেখ্য যে, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল গাজার সবচেয়ে বড় দাতাদের মধ্যে একজন হচ্ছে কাতার এবং ২০১৪ সালে ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধের পর গাজার বেশিরভাগ অবকাঠামোর পুনর্নির্মাণের জন্য অর্থায়ন করেছে দেশটি। গাজার সড়ক উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে গ্যাস সমৃদ্ধ দেশটি। এ সময় গাজাকে ১ বিলিয়ন অর্থ সহযোগিতার ঘোষণা দেয় আরবের অন্যতম সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র কাতার।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন