গত কয়েক দিন পুর্বে রিয়াদে আরব-ইসলামিক-আমেরিকান সামিটে কাতারের আমীর শায়ইখ তামিমের বক্তব্য বিকৃত ভাবে উপস্থাপনকে কেন্দ্র করে সৌদি,কুয়েত,বাহরাইন, আরব আমিরাতে আল-জাজিরার নেটওয়ার্কের ওয়েব পোটাল সমুহ ব্লক করে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সুত্রপাত হয় কাতারের মিনিষ্ট্রি অব ফরেন এফেয়ার্স এর ওয়েব সাইট একদল শিয়া হ্যাকার হ্যাক করে কাতারের আমিরের শিয়া পক্ষপাতিত্ব মুলক বক্তব্যে জুড়ে দিয়ে ওয়েবে বিবৃতি প্রচার করে। কাতারের রাষ্টীয় মালিকানাধীন আল-জাজিরা নেটওয়ার্ক কাতার সরকারের বক্তব্য হিসেবে ধরে নিয়ে হ্যাকার দের ঐ বিকৃত নিউজ প্রচার করে। যা সমগ্র আরব জুড়ে বিব্রত অবস্থার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে কাতারের আমীরের বিষয়টি দৃষ্টি গোচর হলে তিনি কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইট হ্যাকরের কবলে পড়েছে বলে পাল্টা বিবৃতি দেন।
উল্লেখ্য কাতারের আমীর একজন কট্টর ইসলামী চিন্তাচেতনার অধিকারী শিয়া বিরোধী হিসেবে পরিচিত। সিরিয়ায় আসাদ রেজিম ও ইরানী শিয়াদের বিরুদ্ধে কাতার সেই প্রথম থেকেই সিরিয়ার বিভিন্ন মুজাহিদ গ্রুপ গুলোকে প্রকাশ্য অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা দিয়ে আসছেন। এছাড়া গাজার হামাস ও মিসরের মুসলমি ব্রাদারহুড়কেও সমর্থন দিয়ে এসেছেন ইতিপুর্বে কাতারের আমীর।
ঐ নিউজে লেবাননের হিজবুল্লাকে কাতারের সমর্থনের কথা বলা হলেও বাস্তবে হিজবুল্লাকে পিঠানোর জন্য কাতার সর্ব প্রথম সিরিয়ার যুবকদের অস্ত্র ও অর্থ সরবরাহ করে আসছেন।
মুলত মুসলিম ব্রাদারহুড়ের আধ্যত্তিক নেতা শায়খ ইউসুপ কারযাবীকে কাতারে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আশ্রয় দে্য়ায় এবং ব্রাদার হুড়ের সাথে ইতিপুর্বে ইরানের সম্পর্ক ভাল থাকায় ঐ নিউজ নিয়ে আরবের আন্য শাসকরা কাতারের আমীরের প্রতি সন্দেহ পোষন করেন।
যদিও কাতারের প্রধানমন্ত্রী গত সপ্তাহে এক মিডিয়া ব্রিফে ব্রাদারহুড়ের প্রতি সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেন এবং কারন হিসেবে উল্লেখ করেন ব্রাদার হুড়ের কিছু নেতাকর্মী কাতার সরকারের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করার গোয়েন্দা তথ্য তাদের হাতে আছে বলে জানান।
ঐ নিউজে লেবাননের হিজবুল্লাকে কাতারের সমর্থনের কথা বলা হলেও বাস্তবে হিজবুল্লাকে পিঠানোর জন্য কাতার সর্ব প্রথম সিরিয়ার যুবকদের অস্ত্র ও অর্থ সরবরাহ করে আসছেন।
মুলত মুসলিম ব্রাদারহুড়ের আধ্যত্তিক নেতা শায়খ ইউসুপ কারযাবীকে কাতারে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আশ্রয় দে্য়ায় এবং ব্রাদার হুড়ের সাথে ইতিপুর্বে ইরানের সম্পর্ক ভাল থাকায় ঐ নিউজ নিয়ে আরবের আন্য শাসকরা কাতারের আমীরের প্রতি সন্দেহ পোষন করেন।
যদিও কাতারের প্রধানমন্ত্রী গত সপ্তাহে এক মিডিয়া ব্রিফে ব্রাদারহুড়ের প্রতি সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেন এবং কারন হিসেবে উল্লেখ করেন ব্রাদার হুড়ের কিছু নেতাকর্মী কাতার সরকারের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করার গোয়েন্দা তথ্য তাদের হাতে আছে বলে জানান।
