তুরস্ক এই প্রথম নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করল।কৃষ্ণ উপসাগরের কাছে সিনোপ উপকূলীয় এলাকায় এ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় দেশটির সামরিক বাহিনী।
ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা হচ্ছে ২৮০ কিলোমিটার তবে কিছু কিছু সামরিক পেইজের দাবী এটির রেঞ্জ ৩০০+ কিলোমিটার এটি ৫০০ কেজির ওয়ারহেড বহন করতে পারে। এর আগে তুরস্ক ছিল জাতিসঙ্ঘের একটি সংস্থার চুক্তির অধীনে যারা ৩০০ কিমির বেশীর মিসাইল বানাতে পারতোনা । কিন্ত এই পরীক্ষার ফলে তুরস্ক সেই চুক্তি ভঙ্গ করল । এই নিয়ে কেউ কোন মন্তব্য করেনি ।
ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা হচ্ছে ২৮০ কিলোমিটার তবে কিছু কিছু সামরিক পেইজের দাবী এটির রেঞ্জ ৩০০+ কিলোমিটার এটি ৫০০ কেজির ওয়ারহেড বহন করতে পারে। এর আগে তুরস্ক ছিল জাতিসঙ্ঘের একটি সংস্থার চুক্তির অধীনে যারা ৩০০ কিমির বেশীর মিসাইল বানাতে পারতোনা । কিন্ত এই পরীক্ষার ফলে তুরস্ক সেই চুক্তি ভঙ্গ করল । এই নিয়ে কেউ কোন মন্তব্য করেনি ।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ফিকরি বলেন, তুরস্ক এখন নিজস্ব প্রযুক্তিতে ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে এবং বোরা ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মাধ্যমে আঙ্কারা আরো ভালো কিছু তৈরির বিষয়ে আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে।এখন থেকে নিয়মিত আরও বেশী রেঞ্জের ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করবে বলে জানায় । চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান এই চুক্তির কোনমূল্য নেই আমাদের দিন দিন শত্রুর হুমকি বাড়ছে তাই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিকল্প নেই ।
তুরস্কের উল্লেখযোগ্য অস্ত্র নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান রোকেস্তান এ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুরস্ক নানা ধরনের অস্ত্র তৈরির জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।
ন্যাটো দেশগুলো তুরস্কের কাছে সামরিক প্রযুক্তি হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানানোর পর তুর্কি সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে ।
তুরস্কের এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি নতুন কিছু নয় ৫০ এর এর দশকে তাঁরা প্রথম ১৯৫৭ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় কিন্ত যা ছিল মুসলিম দেশের মাঝে প্রথম ও বিশ্বে ৩য় !
৬৫ বছর আগে থেকে যদি তুরস্ক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে যেত আজকে তাঁরা পৃথিবীর অন্যতম পরমাণু শক্তিশালী আইসিবিএমের মালিক হতেন ।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন