আগামী ১৯শে মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি সফরে আসছেন। ঐ সফরে পেন্টাগন ১০০ বিরিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির একটি প্যাকেজ পরিকল্পনা করেছেন যা ইতিপুর্বে সৌদি কতৃপক্ষ এই বিশাল অস্ত্র ভান্ডার ক্রয়ের আশা প্রকাশ করেছিল।
১০০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রয়ের চুক্তিটি ইসিহাসের সবচাইতে বড় অস্ত্র বেচাকেনার চুক্তি হিসেবে চিহ্নিত হবে।উল্লেখ্য প্রতিবেশী ইরান সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে আগুন জ্বালানোর কারনে গত ২ বছর যাবত সৌদি সরকার শত শত বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ক্রয় ও নির্মান শিল্পে বিনিয়োগ করে আসছেন। ইতিমধ্যে তারা সামরিক পরিবহন বিমান ও সাকার-১ নামের অত্যাধুনিক ড্রোনের পরিক্ষামুলক উড্ডয়ন করেছেন।এছাড়া ট্যাংক গোলাবারুদ সহ অন্যান্য অস্ত্র উৎপাদনে তুর্কী, চীন, পাকিস্থান, দক্ষিন আফ্রিকা ও ইউক্রনের সাথে যৌথ প্রতিরক্ষা ইন্ড্রাষ্ট্রিজ স্থাপন করেছেন।
গত বেশ কয়েক বছর ধরে সৌদি আরব পৃথিবীর বৃহত্তম যুদ্ধাস্ত্রের ক্রেতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।
গত বেশ কয়েক বছর ধরে সৌদি আরব পৃথিবীর বৃহত্তম যুদ্ধাস্ত্রের ক্রেতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।
আগামী সপ্তাহে ট্রাম্পের সফরে যে অস্ত্রগুলো বিক্রির পরিকল্পনা করেছেন সেগুলো হচ্ছে, যুদ্ধ বিমান, যুদ্ধ জাহাজ, থার্ড প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা, ক্ষেপনাস্ত্র, আধুনিক যুদ্ধ প্রযুক্তি, অস্ত্র রক্ষানাবেক্ষন ও প্রশিক্ষন অন্তভুক্ত।
অস্ত্র গুলো হাতে পেলে সৌদি সামরিক দিক দিয়ে পৃথিবীর প্রভাবশালী দেশ হিসেবে উঠে আসবে কারন এই অঞ্চলের যুদ্ধবাজ ইরানের সামরিক বাজেট ৬ বিলিয়ন ডলার আর সৌদি এক চুক্তিতে কিনে নিচ্ছেন ১০০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র।
অস্ত্র গুলো হাতে পেলে সৌদি সামরিক দিক দিয়ে পৃথিবীর প্রভাবশালী দেশ হিসেবে উঠে আসবে কারন এই অঞ্চলের যুদ্ধবাজ ইরানের সামরিক বাজেট ৬ বিলিয়ন ডলার আর সৌদি এক চুক্তিতে কিনে নিচ্ছেন ১০০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন